সর্বস্তরের বাংলাদেশি নাগরিককে এই মহান উদ্যোগে সংযুক্ত করতে ডিসেম্বর মাস থেকে প্রিয় মুক্তি পিন সফটওয়্যারটি সকলের জন্য উন্মুক্ত করে রাখা হবে। বাংলাদেশে সহ বিশ্বের যে কোন প্রান্ত থেকে আগ্রহী যে কেউ এই মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে  মুক্তিপিন ম্যাপের মাধ্যমে প্রকাশ করে ইতিহাসের সর্ববৃহত এই ডিজিটাল আর্কাইভের অংশ হতে পারবেন।

উপদেষ্টা কমিটি:

মুক্তিপিন ক্যাম্পেইনটিকে সর্বাত্নক ভাবে সফল করতেউপদেষ্টা কমিটির সদস্য হিসেবে আছেন শ্রদ্ধেয় কিছু মানুষ।  এখনো পর্যন্ত যারা যারা এই মহান উদ্যোগের সাথে সম্পৃক্ত থেকে এতে সব ধরনের গবেষনা নির্ভর সহযোগীতা প্রদানের অংগীকার করেছেন, তারা হলেনঃ 

বাংলাদেশের প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ও লেখক অধ্যাপক আনিসুজ্জামান তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের অধ্যাপক। তিনি প্রত্যক্ষভাবে ১৯৭১-এ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস নিযে তাঁর গবেষণা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য

বিশিষ্ট  কম্পিউটার বিজ্ঞানী, শিক্ষক, কলামিস্ট এবং লেখক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ তিনি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে শিক্ষকতা করছেন। 

লেখক, পদার্থবিদ ও শিক্ষাবিদ শ্রদ্ধেয় মুহম্মদ জাফর ইকবাল তাকে বাংলাদেশে বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী লেখা ও জনপ্রিয়করণের পথিকৃৎ হিসাবে গণ্য করা হয়। তিনি বর্তমানে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের একজন অধ্যাপক এবং তড়িৎ কৌশল বিভাগের প্রধান।

এবং বিশিষ্ট বাংলাদেশি ইতিহাসবিদ, স্কলার ও অ্যাকাডেমিক ড. গওহর রিজভীবর্তমানে তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে কর্তব্যরত আছেন।

যাদের অবদানে

মুক্তিপিন সফটওয়্যারটি সর্বসাধারনের জন্য উন্মুক্ত হওয়ার পর থেকে এখনপর্যন্ত উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মুক্তিযুদ্ধের স্থান চিহ্নিত হয়েছে এই ডিজিটাল ম্যাপটিতে। প্রতিদিন দেশ-বিদেশের বহু মানুষ এই ম্যাপটি সম্পর্কে জানছে এবং মুক্তিযুদ্ধের স্থানগুলোকে পিন করতে  আগ্রহী হচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধের সর্ববৃহ এই আর্কাইভ তৈরীতে অংশ নিয়ে সঠিক পিন প্রদানের মাধ্যমে যারা প্রতিদিন এটাকে একটু একটু করে পরিপূর্ণতা দিচ্ছেন, তাদের নাম সাথে সাথেই  লিপিবদ্ধ হচ্ছে মুক্তিপিন ওয়েবপেইজে। এখন পর্যন্ত যাদের নাম আমরা শ্রদ্ধার সাথে লিপিবদ্ধ করতে পেরেছি, তারা হলেনঃ